আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ রোইংয়ের পদক জয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : শনিবার , ২৬ সেপ্টেম্বর ber ২০২৬

​ক্রীড়া প্রতিবেদক : যথাযথ সুযোগ-সুবিধা, আধুনিক প্রশিক্ষণ আর নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আন্তর্জাতিক রোইংয়ে বাংলাদেশের পতাকাতলে পদক জয় কোনো সুদূরপরাহত স্বপ্ন নয়—এমন আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া সংগঠকরা।

​শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রোলার স্কেটিং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ রোইং ২০২৬ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের রোইং অঙ্গনের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।

​বাংলাদেশ রোইং ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত দুইদিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য প্রশিক্ষণ শিবিরে দেশের ২৫টি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক উদীয়মান শিক্ষার্থী অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রোইং ফেডারেশনের সভাপতি শোয়েব চৌধুরী বলেন, “রোইং কেবল ঐতিহ্যবাহী খেলাই নয়, 

অলিম্পিকের মঞ্চে এর রয়েছে ১৫টি স্বর্ণপদকের বিশাল সুযোগ। দুঃখজনকভাবে বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সঠিক পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক উদাসীনতার কারণে এই খেলায় বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের মুখ দেখেনি।” তিনি জানান, এই অচলাবস্থা কাটাতে ফেডারেশন ইতোমধ্যে একটি ৫ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করেছে, যার মূল লক্ষ্য—ঘাসমূল থেকে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, বিশ্বমানের কোচিং ও আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক স্তরে একটি শক্তিশালী দল দাঁড় করানো।

 

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিটিআরসির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ তরুণদের এই উদ্যমকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, “রোইং কেবল শারীরিক খেলা নয়, এটি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও ঐক্যের শিক্ষা দেয়। আজ যারা প্রশিক্ষণ নিল, আগামী দিনে এরাই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।”

 

​অনুষ্ঠানে দ্য এশিয়ান এজ-এর প্রধান সম্পাদক জেসমিন চৌধুরী  বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।

​ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, পদ্মা সরকারি কলেজ, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, তোলারাম কলেজ, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসাসহ ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের রোভার ও শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ দেশের রোইংয়ে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


আর্কাইভ