এ আর রাহমান ও তার স্ত্রী সায়রা বানুর সংসারে বিচ্ছেদের সুর

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার , ২১ নভেম্বর ২০২৪

ভারতের অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রাহমান ও তার স্ত্রী সায়রা বানুর সংসারে বিচ্ছেদের সুর বেজে উঠেছে। আইনজীবীর মাধ্যমে প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে যে সুরটি বাজিয়েছেন খোদ সায়রা বানু। যার মধ্য দিয়ে ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলো রাহমান-সায়রার সংসারে। 

২০ নভেম্বর প্রথম প্রহরে তথা মধ্যরাতে সায়রা বানুর এই বার্তার পর এ আর রাহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া মিলছিলো না। তবে রাত পোহাতেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি আবেগঘন বার্তা লিখেন। যেখানে  তিনি এটিকে একটি ‘মর্মান্তিক’ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, এই সম্পর্কটা নিয়ে ৩০ বছরে পৌঁছানোর আশা ছিলো তাদের। যা ২৯ বছরেই ভেঙে গেলো। 

আক্ষেপের পাশাপাশি সবার কাছে তাদের ব্যক্তিজীবনের গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধও করেন সবার প্রতি।

এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) পোস্ট করা রাহমানের বার্তায় লেখা ছিল, ‘আমরা ৩০ বছরে পৌঁছানোর আশা করেছিলাম, কিন্তু সবকিছুই যেন অদেখা কোনও সমাপ্তি নিয়ে আসে। ভাঙা হৃদয়ের ভারে যেন স্রষ্টার সিংহাসনও কেঁপে ওঠে। তবুও, এই মর্মান্তিক মুহূর্তে আমরা অর্থ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি। যদিও টুকরোগুলো আর একত্রিত হবে না। আমাদের বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা এই নাজুক অধ্যায়ে আমাদের গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন।’

১৯ নভেম্বর দিনগত রাতে সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ দম্পতির এই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনের পর, মিসেস সায়রা তার স্বামী এ আর রাহমানের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের সম্পর্কের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও, সম্পর্কের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা ও জটিলতা এমন একটি ফাঁক তৈরি করেছে যা এই মুহূর্তে তারা পাড়ি দিতে অক্ষম। মিসেস সায়রা বলেছেন, এটি তার জন্য বেদনাদায়ক এবং কষ্টকর একটি সিদ্ধান্ত। তিনি এই কঠিন সময়ে সবার কাছে গোপনীয়তা ও সহানুভূতির অনুরোধ জানিয়েছেন।’

১৯৯৫ সালে চেন্নাইয়ে এ আর রাহমান ও সায়রা বানুর বিয়ে হয়। তাদের তিন সন্তান রয়েছে— খাদিজা, রাহিমা ও আমিন।


আর্কাইভ