হট্টগোলে ছাত্রদলের বর্জনে উত্তপ্ত জাকসু নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার , ১১ সেপ্টেম্বর ber ২০২৫

আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর)  বিকেল ৫টায়  আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জাকসু) নির্বাচনে  ভোটগ্রহণ শেষ হয়। ভোট শেষে শুরু হবে গণনা। প্রথমে মেশিনে ভোট গণনার সিদ্ধান্ত হলেও পরে ম্যানুয়ালি বা হাতে ভোট গণনা হবে বলে জানিয়েছে জাকসুর নির্বাচন কমিশন। এতে ফলাফলে পেতে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

আজ সকাল ৯টায় জাকসু ও হল সংসদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলকে কেন্দ্র করা হয়। ২১ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১১৫ এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৭২৮ জন।

এদিকে, ভোটগ্রহণের শুরুতেই হোঁচট খেতে দেখা জাকসুর নির্বাচন কমিশনকে। কোথাও ব্যালট পেপার না পৌঁছানোয় দেরিতে ভোট শুরু করতে হয়। আবার কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। একটি কেন্দ্রে ছিল না আঙুলে দেওয়া অমোচনীয় কালিও।

দুপুরের দিকে ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের প্রবেশ নিয়ে দুই কেন্দ্রে হট্টগোল শুরু হয়। এতে ওই দুই হলে ভোট বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া শেষ সময়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সব প্রার্থী।

ব্যালট না আসায় ভোটগ্রহণ শুরুতে দেরি  শুরু: সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও কেন্দ্রে ব্যালট পেপার না আসায় সময়মতো তা সম্ভব হয়নি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর কেন্দ্রে ব্যালটপেপার আসে। এরপর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যদিও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কিছুসময় ভোটগ্রহণ করেই আবার হলটিতে ভোট বন্ধ হয়ে যায়।

লোডশেডিংয়ে ভোটকেন্দ্র অন্ধকার, ভোট বন্ধ :ভোটগ্রহণ শুরুর পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ নম্বর হলে বৈদ্যুতিক বিভ্রাট দেখা যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হলটির কেন্দ্র অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় এক ঘণ্টা ১০ নম্বর হলে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে।

দুইটি হলে হট্টগোল, ভোট বন্ধ : বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজিলাতুন্নেসা হলে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলে যান ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান। তিনি জোর করে ছাত্রীদের ওই কেন্দ্রে প্রবেশ করায় ছাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ নিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।


আর্কাইভ