এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় কক্সবাজার জেলার রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মোট ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৬ জনই পাস করেছে। পাসের হার ১০০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ২২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৯৪৭ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন। পাসের হার ৭৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মোট ২৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার ডিসি কলেজ থেকে মোট ১৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১২১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মোট ৯৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৮১ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ।
শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ থেকে মোট ৫৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩০৬ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫১ দশমিক ০৯ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
রামু সরকারি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৩৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
উত্তরণ মডেল কলেজ থেকে মোট ৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
চকরিয়া সরকারি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫০০ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
উখিয়া সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মোট ৬১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৭৩ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
মহেশখালী ডিগ্রি কলেজ থেকে মোট ৩৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৬০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৩ দশমিক ০১ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
মহেশখালী সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মোট ৪৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৮১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪০ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ থেকে মোট ৪৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৮২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ০৬ শতাংশ।
ডুলহাজারা কলেজ থেকে মোট ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৬৩ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ।
কুতুবদিয়া সরকারি কলেজ থেকে মোট ৫৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৯২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
ঈদগাঁও রশিদ আহমদ কলেজ থেকে মোট ৩৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১০৪ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৩২ শতাংশ।
উখিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে মোট ৫০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৪৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ২৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার সিটি কলেজ থেকে মোট ৯৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৪৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
টেকনাফ সরকারি কলেজ থেকে মোট ৭৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৯২ জন পাস করেছে। পাসের হার ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
বদরখালী কলেজ থেকে মোট ১৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ২৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার কমার্স কলেজ থেকে মোট ১৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
মহেশখালীর হোয়ানক কলেজ থেকে মোট ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কুতুবদিয়া মহিলা কলেজ থেকে মোট ১১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২১ জন পাস করেছে। পাসের হার ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কক্সবাজার হার্বার্ড কলেজ থেকে মোট ৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১০ জন পাস করেছে। পাসের হার ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
খুরুশকুল আইডিয়্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মোট ৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
চকরিয়া সিটি কলেজ থেকে মোট ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
ফলাফল ধসের কারণ হিসেবে কারণ হিসেবে কয়েকটি কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, কয়েকটি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে সামগ্রিক ফলাফল খারাপ হয়েছে।