ঢাবি শামসুন নাহার হলের ২ জন শিক্ষার্থীর স্বর্ণপদক ও ৩১ জনের বৃত্তি লাভ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার , ০৭ মে ২০২৬

অসাধারণ একাডেমিক ফলাফলের জন্য  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শামসুন নাহার হলের ২ জন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক ও ৩১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জন মেধাবৃত্তি এবং ১০ জন সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম গতকাল ০৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শামসুন নাহার হল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে স্বর্ণপদক, বৃত্তির চেক ও সনদপত্র তুলে দেন। শামসুন নাহার মাহমুদ ফাউন্ডেশন বৃত্তি তহবিলের আওতায় এই স্বর্ণপদক ও বৃত্তি প্রদান করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা। শামসুন নাহার মাহমুদের নাতনি ডাঃ যেবা মাহমুদ স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বৃত্তি ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই সম্মাননা তাদের মেধার স্বীকৃতি। তিনি শামসুন নাহার মাহমুদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার জন্য ছাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা হলেন, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী হাজিরা রহমান মিশি এবং সংগীত বিভাগের ছাত্রী শেখ জেরিন শবনম।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রীরা হলেন, প্রজ্ঞা সাহা (ভাষাবিজ্ঞান), ঈশিতা খাতুন (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), মায়িশা মেজবাহ (যোগাযোগ বৈকল্য), আতকিয়া তাবাসসুম (প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন), মোছা. সুমাইয়া ফারুকী (রসায়ন), হুমায়েরা হাবিবা (প্রাণিবিদ্যা), উম্মে হাবিবা মারজান (ভূতত্ত্ব), নাইমা জিয়া (মার্কেটিং), মুসলিমা আক্তার আঁখি (একাউন্টিং), মোসা: আয়শা নাজমিন (শিল্পকলার ইতিহাস), কামরুন্নাহার কলি (ফলিত পরিসংখ্যান), শান্তা আক্তার (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), অনন্যা দে (থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ), তাসনীম কাশফিয়া সুবাহ (লোক প্রশাসন), হৃদিয়া আফরোজ (উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ), নুসরাত জাহান (পরিসংখ্যান), চৈতালী বিশ্বাস (মৎস্যবিজ্ঞান), কায়সারি ফেরদৌস (ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং), মারজানা খাতুন (ফিন্যান্স), আনিলা আক্তার (আইন), ফায়রুজ আনিকা (পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান), নিশাত তাসনীম (লোক প্রশাসন), মোছা: জুলিও শারমিন (যোগাযোগ বৈকল্য), মনিরা ইয়াসমিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ), দ্বীপান্বিতা রায় (ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট), উম্মে সুমাইয়া (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট), শাপলা সুলতানা (ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট), সামিয়া রাওজীন আশা (বাংলা), রিতা রানী সরকার (পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ), জান্নাতুল ফেরদৌসী নীম (নৃবিজ্ঞান) এবং সুমাইয়া মোস্তারী রিন্তী (শিল্পকলার ইতিহাস)।


আর্কাইভ