খামারবাড়িতে জুনিয়র কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : মঙ্গলবার , ০৯ জুন e ২০২৬

নুরে আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে  প্রতিনিয়ত একের পর এক সমস্যা লেগেই আছে। কখনো কর্মকর্তাদের রুম থেকে বের করে দেওয়া আবার কখনো কর্মকর্তাদের মামলার আসামীর ঘটনার পর এবার   জুনিয়র কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত হয়েছেন সিনিয়র কর্মকর্তা। রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিসিএস কৃষি ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার মধ্যে এমন ঘটনায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে কেআইবি চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং) ও ২৯তম বিসিএস কৃষি ক্যাডার কর্মকর্তা বনি আমিন খানের সঙ্গে ডিএই'র অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এবং ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তা এ এম মাসুম বিল্লাহর এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাসুম বিল্লাহ তার দুই ব্যাচ সিনিয়র কর্মকর্তা বনি আমিন খানের মুখমণ্ডলে একাধিক ঘুষি মারেন। এতে তার মুখমণ্ডল ফুলে যায়। আঘাতের কারণে বাম চোখের নিচের অংশে রক্তাক্ত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কেআইবি'র সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বনি আমিন খান অভিযোগ করে বলেন, কেআইবি মাঠ থেকে বাসায় ফেরার পথে আচমকা মাসুম বিল্লাহ তার উপর আক্রমন করেন।এতে তার মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পর তিনি বাসায় ফিরে যান। বিষয়টি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালককে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বনি আমিন খান জানান, 'ঘটনার বিচার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে   মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করব।'

ঘটনাস্থালে উপস্থিত থাকা এক কর্মকর্তা শাব্বির আহমেদ (অতি:উপ:পরিচালক),উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং বলেন,আমরা প্রতিদিনের ন্যায় কেআইবি'তে আড্ডাশেষে বাসায় ফেরার পথে মাসুম বিল্লাহ ৪/৫জন লোক নিয়ে বনি আমিন স্যারকে অকর্থভাষায় গালাগালি করেন এবং বনি আমিন স্যার কিছু বুঝে উঠার আগেই চোখ ঘুষি দেয়।আমরা ঘটনাস্থলে থাকা সবাই স্যার কে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

সিনিয়র কর্মকর্তাকে ঘুষি মারার অভিযোগের বিষয়ে জানতে এ এম মাসুম বিল্লাহর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

খামারবাড়ির এই পরিস্থিতি নিয়ে মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুর রহিম কে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।


আর্কাইভ