মো,ফখরুল আলম খসরু, কলমাকান্দা,প্রতিনিধি: নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ৭৯৪জন উপকার ভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল রুমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
এ সময় অণ্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহ আলম এবং লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি যেসব কথা বলেন, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আগে থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করেন এবং পরিকল্পনাগুলো সুসংগঠিতভাবে সাজিয়ে রাখেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন তিনি সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, “একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য শুধু একজন নেতার ইচ্ছা থাকলেই হবে না, সমাজের ভালো ও মানবিক মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুদিন ধরেই ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মার্স কার্ড ও ফোর্স কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করে আসছিলেন। প্রবাসে থাকাকালীন সময়েও তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন এবং দেশের মানুষের কল্যাণে এসব পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ অতীতে এ ধরনের পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ খুব কমই দেখেছে। আজ দেশের সর্বস্তরের মানুষ এসব কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে লাখো মানুষের সামনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন— ‘আই উইশ এ প্ল্যান’। এটি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না, বরং একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা ছিল। তিনি তখনই সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলেন এবং এখন সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছেন।”
উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অনলাইনের মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১০ জন আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৯৪টি পরিবারকে সুবিধাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের অন্যান্য সুবিধার আওতায় থাকায় ১১০ জন আবেদন করেও তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।